ফেনীতে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১২৯ মিলিমিটার তুমুল বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ১২৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়
- নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই খাল খনন কর্মসূচি শেষ হবে: কৃষিমন্ত্রী
- * * * *
- ভেদরগঞ্জে হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই ক্লিনিক বন্ধ, দুই চিকিৎসককে শোকজ
- * * * *
- গণতন্ত্রের পরিবর্তে ফ্যাসিবাদের পথে এগিয়েছে আওয়ামী লীগ : ইশরাক হোসেন
- * * * *
- সমন্বিত প্রচেষ্টায় ৪-৫ বছরেই অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
- * * * *
- নারীর শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী
- * * * *
বিপর্যস্ত জনজীবন
কুড়িগ্রামে আবারও হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টায় জেলার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস।
কুড়িগ্রামে হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠাণ্ডায় শীত জেঁকে বসেছে। প্রতিদিন তাপমাত্রা কমতে থাকায় এ জনপদে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।
গত এক সপ্তাহ ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে পাবনা। কয়েক দিনের তীব্র শীতে জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল টানা কয়েক দিন ঘন কুয়াশায় ঢাকা। সারা দিনেও মিলছে না সূর্যের দেখা। রোদের উত্তাপ না পাওয়ায় উত্তরের মৃদু হিমেল বাতাস অসহনীয় হয়ে উঠেছে। কনকনে ঠাণ্ডা আর হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত জনজীবন।
গোপালগঞ্জে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। প্রচণ্ড কুয়াশা ও হাঁড়কাপানো শীতে জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।
কুড়িগ্রামে দিন যতই যাচ্ছে ততই শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। পৌষের প্রথম দিকেই ঘন কুয়াশা এবং হিমেল হাওয়াসহ শীতের তাণ্ডব কুড়িগ্রামের জনজীবনকে অস্বাভাবিক করে তুলেছে।
পৌষের শেষে এসে নওগাঁয় শীত কিছুটা বেড়েছে। হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসে জনজীবন থমকে দাঁড়ানোর উপক্রম শুরু হয়েছে। দিনের বেলায় সূর্যের দেখা মিললেও রাতে ঠাণ্ডার প্রভাব বেশি থাকছে।
কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল বাতাসের দাপটে নওগাঁয় আবারও থমকে দাঁড়িয়েছে জনজীবন। ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কাজকর্ম। এতে নিদারুণ কষ্টে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ।বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।
উত্তরের জেলা হিমালয়কন্যা পঞ্চগড়ে গত ৫ দিন ধরে তৃতীয় দফায় বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সন্ধ্যা নামেলেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন এ অঞ্চলের মানুষ। বর্তমানে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা নেমে ৯ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে।